এই ছবিটা ক্যাটরিনা কাইফ কিংবা প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার হলে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হত। কিন্তু এই ছবিটা হল কৃষক কন্যা হিমা দাসের যে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করে দেশে ফিরেছে ১৫ দিনে চারটে সোনা জিতে। অথচ আমরা ভাল করে জানতেই পারলাম না কে এই হিমা দাস ??
আসামের কৃষক পরিবারের কন্যা হিমা দাস ডাল – ভাত খেয়েই বিশ্বের দরবারে ভারতের নাম উজ্জ্বল করেছে। হিমা দাস কোনো প্রোটিন বা সাপ্লিমেন্ট খাবার পর্যন্ত পায়নি, তবুও জাতীয় সঙ্গীত চলাকালীন হিমা দাসের দু চোখে জল দেখেছিলাম আমরা।
ভারতের মিডিয়ারও লজ্জা নেই তারা অসামাজিক কাজ করা চোর ও গুন্ডাদের রাতারাতি হিরো বানিয়ে দেয় অথচ কৃষক পরিবারে জন্ম নেওয়া গরীব হিমা দাসকে নিয়ে একটা কথাও বলে না।
স্বাধীন ভারতের বুকে
এটাই দ্বিতীয় ভারত
❤❤❤❤

Hima the runner,An Icon of Bharat.

This is not composed by any one of this blog. Hats off the the extraordinary composer of this poem.

Pic. Collected from the Google with regards to the photographers.

হিমা

হিমা তুমি যতই ছোটো
ধোনির মতন পারবে না,
তোমায় নিয়ে চায়ের দোকান
হাজার বুগনি মারবে না

সাফল্য Virat বড়
তোমারটা আর বিরাট কি?
এই দেশে একটা খেলা
বাদবাকী সব ইয়ার্কি

হিমা তুমি যতই ঘামো
যতই চোয়াল শক্ত করো,
জেনে নিও track এর থেকে
বাইশ গজ টা অনেক বড়!

Media তোমায় নিয়ে
ব্যস্ত তো নয় লম্ফঝাঁপে,
শিরোনামে কে আর বলো
যত্ন করে নামটা ছাপে!

হিমা তুমি বড্ড বোকা
ছুটতে ছুটতে হাঁফিয়ে মর,
কেন যে আমার দেশে
তোমরা এমন ভুলটা করো!

তবুও কেউ কেউ ঠিক
তোমায় চেনে কোনির মত,
টের পায় তোমার খিদে,
তোমার জ্বালা,তোমার ক্ষত…

এই যে এখন বসে
লিখছি আমি নানান কথা,
স্ট্যাটাসে করছি শেয়ার
একটা সোনার মেয়ের ব্যথা…

হিমা তুমি ছুটতে থাকো
আমার হয়ে দিগন্ততে,
তেরঙা পাখনা মেলুক
ছুটতে থাকা তোমার হাতে,

হিমা তুমি ভীষণ চেনা
অজস্র মুখ হাড়হাভাতের,
যারা থাকে অন্ধকারে
চিন্তা একটু ডাল আর ভাতের,

হিমা আমি তোমার দলে
তোমার জন্য গর্ব আমার,
হিমা তুমি স্বপ্ন দেখাও
যেই পৃথিবীর যৌথ খামার.

Related link. https://en.m.wikipedia.org/wiki/Hima_Das

Thanks to the photographer who possess it’s copyright.

Kamarpukur, Joyrambati, Sihar and Koalpara with SRI SRI MA SARADA.

……”দেখ, স্বপ্নে যেন দেখলুম, জয়রামবাটী, কোয়ালপাড়া ও কামারপুকুর সব এক হয়ে গেছে।… এখানে অত সব (জপধ্যান) করতে হবে না। এখানে এসে খাবে দাবে আর আনন্দ করবে। বিধিরও সাধ্য নেই আমার ছেলেদের রসাতলে ফেলে।… এখানে যারা আসবে, তাদের শেষ জন্ম।”
পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর মহকুমার অন্তঃপাতী জয়রামবাটী গ্রাম শ্রীশ্রীমা সারদা দেবীর পুণ্য জন্মস্থান। মা বলতেন – ‘ওদের এখানে তিনরাত্রি বাস কত্তে বলো। এখানে তিনরাত্রি বাস কল্লে দেহ শুদ্ধ হয়ে যাবে, এটা শিবের পুরী কিনা।’ সত্যিসত্যিই মায়ের মন্দির নির্মাণের সময় ভিত খুঁড়তে গিয়ে পাওয়া গিয়েছিল একটি ছোটো কালো শিবলিঙ্গ। মাতৃমন্দিরের সিংহাসনে আজও সেটি পূজিত হয়।

                      মায়ের অভয়বাণী স্মরণ করে:

……

We The Sri Yogi Family .
SRI SRI SARADA MATA . THE EMBODIMENT OF SRI TRIPUARA SUNDARI AND KALI MATA.

Clay festival of DURGA

Sri Yoga Center and Ulto Rath Festival

On the eve of Ulto Rath Festival of.Lord Sri Jagannath of Puri Dham of Orrisa ,our ancestors also observing the CLAY WORSHIPPING AND CLAY APPLYING Festival of SriDurga Mata of our home for last 150 years. They have chosen this date of Ulto Rath rather the Rath to equalize the symbolic coming back to the home of the GOD as own Son or daughter
This year also is not it’s exception.
The importance of this year 2019 in the history of this area and in our family is the Worshipping by the Ladies and Daughters of home.
The Goddess Durga Herself is establishing a new trend for the future generations of Bengal and India.

Worshipping by Smt. Rakhi Mukhopadhyay, Boro Bouma, President of Sri Yoga Center , by Smt. Moumita Mukherjee, chotobouma, member of SYC., By Sri Aishi, first of next generation of the family.

Aishii and Ma Durga , my youngest daughter and her youngest sister
Moumita n Daughter Durga.
smt Rakhi is glorifying with Arati.